November 17, 2019

লেবাননে স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে আ.লীগের আলোচনা সভা ও অভিষেক অনুষ্ঠান

3

লেবানন থেকে বাবু সাহাঃ লেবাননের হাইছুল্লুম এলাকায় কামাল হোটেলে ৩১ মার্চ রোববার বিকালে ৪৯ তম মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও পূর্ণাঙ্গ কমিটির অভিষেক অনুষ্ঠান  করেছে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ কেন্দ্রীয় কমিটি লেবানন শাখা।ি সংগঠনটির নবনির্বাচিত সাধারন সম্পাদক মোশারফ হোসেন রাব্বানীর সঞ্চালনায় সভাপতিত্ব করেন  বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের নবনির্বাচিত সভাপতি আবুল বাশার প্রধান।প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বৈরুত দূতাবাসের তৃতীয় সচিব আব্দুল্লাহ আল সাফি।বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনটির প্রধান উপদেষ্টা মুক্তিযোদ্ধা দুলা মিয়া, প্রেসিডিয়াম সদস্য গাউস সিকদার, আশফাক তালুকদার, সিনিয়র সহ-সভাপতি ইস্কান্দর আলী মোল্লা ।

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরান তেলওয়াত, জাতীয় সংগীত পরিবেশন ও স্বাধীনতা যুদ্ধে নিহত সকল শহীদ সহ লেবানন আওয়ামীলীগের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ঈসমাইল চৌধুরী আকরাম স্মরণে দাঁড়িয়ে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়।

আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন সংগঠনটির উপদেষ্টা এস এম জসিম, সহ-সভাপতি রানা ভূঁইয়া, সহ-সাধারন সম্পাদক সুজাত মিয়া, সাংগঠনিক সম্পাদক ইকবাল হোসেন জয়, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মিলন সরকার, মহিলা সম্পাদিকা ইয়াসমিন সুলতানা, প্রচার সম্পাদক জবরুল ইসলাম, সহ-প্রচার সম্পাদক আরিফুর রহমান বাদল, আলবাস্তা শাখার সভাপতি জামাল হোসেন সহ আরো অনেকে।

উপস্থিত ছিলেন, সংগঠনটির উপদেষ্টা আনসার আলী মজলু, জিয়াউল হক, আলম মিয়া লাল, সহ-সভাপতি আনোয়ার চৌকদার, নুরুল ইসলাম, শেখ বাবুল, নিলু মোল্লা, শারমীন আক্তার, যুগ্ম সাধারন সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মিন্টু সরকার ও উসমান গণি, দপ্তর সম্পাদক মহিদুল ইসলাম, সহ-প্রচার সম্পাদক হাবিব মিয়া, এরশাদ আলী, মহিলা সম্পাদিকা বিউটি আক্তার, সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ সহ অসংখ্য মুজিক সৈনিক।

অনুষ্ঠানে টেলি কনফারেন্সে বাংলাদেশ থেকে বক্তব্য রাখেন সাবেক শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য এডঃ আজমত উল্লাহ খান।

বক্তারা বলেন, স্বাধীনতার মাস বাংলার ইতিহাসে একটি গৌরবের মাস।স্বাধীনতার পরপরই বঙ্গবন্ধু বাঙালিকে অর্থনৈতিক মুক্তি প্রদানের জন্য কাজ শুরু করেছিলেন। কিন্তু অল্প সময়ে তিনি এ কাজ সমাপ্ত করতে পারেননি। বর্তমানে বঙ্গন্ধুর সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ অসমাপ্ত কাজ সমাপ্ত করে একটি সুখী-সমৃদ্ধ দেশ বিনির্মাণে কাজ করে যাচ্ছেন।প্রধানমন্ত্রীর বলিষ্ঠ নেতৃত্বের কারণেই বাংলাদেশ এখন একটি মধ্যম আয়ের দেশে রূপান্তরিত হয়েছে এবং ২০৪১ সালের মধ্যে একটি উন্নত-সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করবে।

 

Related posts